The first lesson is just to breathe in a measured way, in and out. That will harmonise the system. When you have practised this for some time, you will do well to join to it the repetition of some word as “Om,” or any other sacred word… Let the word flow in and out with the breath, rhythmically, harmoniously, and you will find the whole body is becoming rhythmical. Then you will learn what rest is. Compared with it, sleep is not rest. Once this rest comes the most tired nerves will be calmed down, and you will find that you have never before really rested. (Complete Works of Swami Vivekananda, v. 1 pg. 166)

प्राणायाम-साधना की पहली क्रिया यह है : भीतर निर्दिष्ट परिमाण में साँस लो और बाहर निर्दिष्ट परिमाण में साँस छोड़ो । इससे देह संतुलित होगी । कुछ दिन तक यह अभ्यास करने के बाद, साँस खींचने और छोड़ने के समय ओंकार अथवा अन्य किसी पवित्र शब्द का मन ही मन उच्चारण करने से अच्छा होगा । … चिन्तन करना कि वह शब्द श्वास के साथ लययुक्त और संतुलित रूप से बाहर जा रहा है और भीतर आ रहा है | ऐसा करने पर देखोगे कि सारा शरीर क्रमश: मानो लययुक्‍त होने जा रहा है | तभी समझोगे, यथार्थ विश्राम क्या है । उसकी तुलना में निद्रा तो विश्राम ही नहीं | एक बार यह विश्राम की अवस्था आने पर अतिशय थके हुए स्नायु भी शांत हो जायेंगे और तब जानोगे कि पहले तुमने कभी यथार्थ विश्राम का सुख नहीं पाया ।

શ્વાસોચ્છ્વાસની ક્રિયાનો પહેલો પાઠ તો ફકત શ્વાસને માપસર અંદર લેવો અને બહાર કાઢવો એ છે. એનાથી શરીરયંત્રમાં સંવાદિતા આવશે. કેટલાક સમય સુધી આનો અભ્યાસ કર્યા પછી તેની સાથે ૐ કે એવા કોઈ બીજા મંત્રનો જપ જોડો તો સારું થશે. … શ્વાસોચ્છ્વાસની સાથે એ નામનું રટણ પણ તાલબદ્ધ રીતે, સંવાદીપણે ચાલવા દો; તો તમને જણાશે કે આખું શરીર તાલબદ્ધ થતું જાય છે. ત્યારે તમને ખબર પડશે કે આરામ શું છે. તેની સરખામણીમાં ઊંઘ એ આરામ જ નથી. એક વાર જો આ આરામ આવશે તો ગમે તેવા થાકી ગયેલા જ્ઞાનતંતુઓ પણ શાંત થઈ જશે અને તમને જણાશે કે અગાઉ તમને કદી પણ ખરેખરા આરામનો અનુભવ થયો જ નથી. (સ્વામી વિવેકાનંદ ગ્રંથમાળા ભાગ ૧ પૃ. ૧૮૨)

প্রাণায়াম-সাধনের প্রথম ক্রিয়া এইঃ নির্দিষ্ট পরিমাণে শ্বাস গ্রহণ কর ও নির্দিষ্ট পরিমাণে প্রশ্বাস ত্যাগ কর। এইরূপ করিলে দেহযন্ত্রটির মধ্যে সামঞ্জস্য স্থাপিত হইবে। কিছুদিন অভ্যাস করিবার পর এই শ্বাসপ্রশ্বাসের সময় ‘ওঙ্কার’ অথবা অন্য কোন পবিত্র শব্দ মনে মনে উচ্চারণ করিলে ভাল হয়। … মনে করিবে, উহা শ্বাসের সহিত তালে তালে বাহিরে যাইতেছে ও ভিতরে আসিতেছে, এরূপ করিলে দেখিবে যে, সমুদয় শরীরই ছন্দের তালে তালে চালিত হইতেছে। তখনই বুঝিবে, প্রকৃত বিশ্রাম কি। উহার সহিত তুলনায় নিদ্রা বিশ্রামই নয়। একবার এই বিশ্রামের অবস্থা আসিলে অতিশয় শ্রান্ত স্নায়ুগুলি পর্যন্ত জুড়াইয়া যাইবে, আর তখন বুঝিবে যে, পূর্বে কখনও তুমি প্রকৃত বিশ্রাম লাভ কর নাই।

Total Views: 144
Bookmark(0)