In the state of Sattva we see the very nature of things, we go beyond the senses and beyond reason. The adamantine wall that shuts us in is egoism; we refer everything to ourselves, thinking, “I do this, that, and the other.” Get rid of this puny “I”; kill this diabolism in us; “Not I, but Thou”—say it, feel it, live it. (Complete Works of Swami Vivekananda, v. 7 pg. 15)

સત્ત્વગુણ અવસ્થામાં આપણે વસ્તુમાત્રનું સાચું સ્વરૂપ જોઈ શકીએ છીએ, આપણે ઇંદ્રિયો અને તર્કથી પર જઈએ છીએ. આપણને અંદર પૂરી રાખનારી વજ્ર સમી દીવાલ તે અહંભાવ છે. ‘હું આ કરું છું, હું પેલું કરું છું, હું તે કરું છું’ એમ માનીને આપણે બધી વસ્તુઓને આપણી પોતાની સાથે જોડી દઈએ છીએ. આ ક્ષુદ્ર ‘હું’ને છોડો. આપણામાં રહેલી આ શેતાનિયતનો નાશ કરો. ‘હું નહીં પણ તું’ એમ કહો, એવો અનુભવ કરો અને તે પ્રમાણે જીવો. (સ્વામી વિવેકાનંદ ગ્રંથમાળા ભાગ. ૩ પૃ. ૨૫૮)

सत्त्व गुण में अवस्थित होने पर हम सभी वस्तुओं के असली रूप को देख पाते हैं, उस समय हम पंचेन्द्रियों और बुद्धि के अतीत प्रदेश में चले जाते हैं। ‘अहं’ ही वह वज्रदृढ़ प्राचीर है, जिसने हमें बद्ध कर रखा है – सत्य के मुक्त वायुमण्डल में वह हमें नहीं जाने देता – सभी विषयों में सभी कार्यों में इसीसे ‘मैं, मेरा’ यह भाव आता है हम सोचते हैं, मैं यह कार्य करता हूँ, वह कार्य करता हूँ, इत्यादि। इस क्षुद्र अहंभाव को दूर कर डालो, हममें यह जो अहंरूप पैशाचिक भाव रहता है, उसे बिलकुल नष्ट कर डालो। ‘नाहं नाहं, त्वमेव त्वमेव’, इस मन्त्र का उच्चारण करो, हृदय से उसे अनुभव करो, समग्र जीवन उससे अनुप्राणित कर दो।

সত্বগুণে অবস্থিত হ’লে আমরা সকল বস্তুর আসলরূপ দেখতে পাই, তখন আমরা পঞ্চেন্দ্রিয় এবং বুদ্ধির অতীত দেশে চলে যাই। অহংই সেই বজ্রদৃঢ় প্রাচীর, যা আমাদের বদ্ধ ক’রে রেখেছে – সত্যের মুক্ত বাতাসে যেতে দিচ্ছে না সকল বিষয়েই, সকল কাজেই ‘আমি,আমার’ এই ভাব মনে এনে দেয় আমরা ভাবি, আমি অমুক কাজ করেছি, তমুক কাজ করেছি ইত্যাদি। এই ক্ষুদ্র আমিত্বটাকে দূর ক’রে দাও, আমাদের মধ্যে এই যে অহংরূপ শয়তানী ভাব রয়েছে, তাকে একবারে মেরে ফেলো৷ ‘নাহং নাহং, তুঁহু তুঁহু’ এই মন্ত্ৰ উচ্চারণ কর, প্রাণে প্রাণে এটা অনুভব কর, জীবনে ঐ ভাবটাকে নিয়ে এস।

Total Views: 83
Bookmark(0)