Now, human language is the attempt to express the truth that is within. I am fully persuaded that a baby whose language consists of unintelligible sounds is attempting to express the highest philosophy, only the baby has not the organs to express it nor the means. The difference between the language of the highest philosophers and the utterances of babies is one of degree and not of kind. (Complete Works of Swami Vivekananda, v. 2 pg. 73)

अब देखो, मानवीय भाषा उस आभ्यन्तरिक सत्य को प्रकाशित करने का प्रयत्न मात्र है। मेरा तो दृढ़ विश्वास है कि एक छोटा बच्चा भी अपनी अस्पष्ट तोतली बोली में उच्चतम दार्शनिक सत्य को प्रकट करने की चेष्टा कर रहा है-पर हाँ, उसके पास उसे प्रकाशित करने के लिए कोई उपयुक्त इन्द्रिय अथवा साधन नहीं है। उच्चतम दार्शनिक और शिशु की भाषा में जो भेद है, वह प्रकारगत नहीं है, वह केवल परिमाणगत है।

હવે, માનવભાષા, અંદર રહેલા સત્યને બહાર વ્યક્ત કરવા માટેનો પ્રયત્ન છે. મારી પૂરી ખાતરી છે કે જેની ભાષા, સમજાય નહીં તેવા શબ્દોની બનેલી હોય છે તે એક બાળક પણ, સર્વોચ્ચ તત્ત્વજ્ઞાન વ્યક્ત કરવાની કોશિશ કરી રહ્યું હોય છે; માત્ર બાળક પાસે તે વ્યક્ત કરવાની ઇન્દ્રિયો કે સાધન નથી. સર્વોચ્ચ તત્ત્વવેત્તાઓની ભાષામાં અને બાળકોના શબ્દોમાં ફેર માત્ર તારતમ્યનો હોય છે, વસ્તુનો નહીં. (સ્વામી વિવેકાનંદ ગ્રંથમાળા ભાગ ૨ પૃ. ૩૦૦)

এখন দেখ, মানবভাষা সেই অন্তর্নিহিত সত্য প্রকাশ করিবার চেষ্টামাত্র। আমার স্থির বিশ্বাস এই-সকল গল্প আর কিছু নয়, একটি ছোট বালক অস্পষ্ট অস্ফুট শব্দরাশিই যাহার একমাত্র ভাষা – সে যেন সেই ভাষায় গভিরতম দার্শনিক সত্য প্রকাশ করিবার চেষ্টা করিতেছে; শিশুর উহা প্রকাশ করিবার উপযুক্ত ইন্দ্ৰিয় অথবা অন্য কোনরূপ উপায় নাই। উচ্চতম দার্শনিকের এবং শিশুর ভাষার কোন প্রকারগত ভেদ নাই, শুধু মাত্রাগত ভেদ আছে।

Total Views: 78
Bookmark(0)