It [Atman] cannot be known; in vain we try to know it. Were it knowable, it would not be what it is, for it is the eternal subject. Knowledge is a limitation, knowledge is objectifying. He is the eternal subject of everything, the eternal witness in this universe, your own Self. Knowledge is, as it were, a lower step, a degeneration. We are that eternal subject already; how can we know it? (Complete Works of Swami Vivekananda, v. 2 pg. 82)

उसको (आत्मा को) जाना नहीं जा सकता; हम उसे जानने का वृथा ही प्रयत्न करते रहते हैं। यदि यह ज्ञेय होता, तो उसका स्वभाव ही बदल जाता, क्योंकि वह स्वयं नित्य ज्ञाता है। ज्ञान एक सीमाबद्ध भाव है; ज्ञान-लाभ करने के लिए ज्ञान को विषयाश्रित करना प’डता है। वह तो सारी वस्तुओं का ज्ञाता है, सब विषयों का विषयीस्वरूप है, इस विश्व-ब्रह्माण्ड का साक्षिस्वरूप है, तुम्हारी ही आत्मा है। ज्ञान तो मानो एक निम्न अवस्था है-एक भ्रष्ट भाव मात्र है। हमीं वह नित्य ज्ञाता-आत्मा हैं, फिर उसे हम किस प्रकार जानेंगे?

તે (આત્મા) જાણી શકાય નહીં; આપણે તેનો વ્યર્થ પ્રયાસ કરીએ છીએ. જો તે જાણી શકાય તેમ હોય તો તે જે છે તે ન હોત, કારણ કે તે શાશ્વત છે. જ્ઞાન એ મર્યાદા છે, જાણવું એ વસ્તુમાં દૃશ્યત્વ લાવવું તે છે. તે દરેક વસ્તુનો શાશ્વત જ્ઞાતા છે, આ જગતનો સનાતન સાક્ષી છે, તમારો પોતાનો આત્મા છે. જ્ઞાન જાણે કે નીચલી સ્થિતિ છે – અવનતિ છે. આપણે જ તે શાશ્વત જ્ઞાતા છીએ; આપણે તેને જાણી કેવી રીતે શકીએ ? (સ્વામી વિવેકાનંદ ગ્રંથમાળા ભાગ ૨ પૃ. ૩૦૮)

তাঁহাকে (আত্মাকে) জানা যায় না, আমরা তাঁহাকে জানিতে বৃথাই চেষ্টা করি। যদি তিনি জ্ঞেয় হইতেন, তাহা হইলে তাঁহার স্বভাবের বিলোপ হইত, কারণ তিনি নিত্যজ্ঞাতা। জ্ঞান তো সসীম; কোন বস্তুর জ্ঞানলাভ করিতে হইলে উহাকে জ্ঞেয বস্তুরূপে – বিষয়রূপে চিন্তা করিতে হইবে। তিনি তো সকল বস্তুর জ্ঞাতাস্বরূপ, সকল বিষয়ের বিষয়িস্বরূপ, এই বিশ্বব্রহ্মাণ্ডের সাক্ষিস্বরূপ, তোমারই আত্মাস্বরূপ। বিষয়-জ্ঞান যেন একটি নিম্নতর অবস্থা একটা অধঃপতন৷ আমরাই সেই আত্মা, আত্মাকে আবার জানিব কিরূপে ?

Total Views: 152
Bookmark(0)